শীতের আগমন মানেই লেপ-তোষকের মৌসুম শুরু। শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্র লেপ-তোষক তৈরির কারিগরদের এখন ব্যস্ত সময়। শীতের কনকনে ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে ঘরে ঘরে লেপ-তোষক তৈরির ধুম পড়ে গেছে। আর এই কাজ করতে গিয়ে কারিগরদের নিপুণ হাতে পড়ছে শুইয়ের ফোড়।
রাজশাহীর মতো শীতপ্রধান এলাকাগুলোতে লেপ-তোষক তৈরির কাজ বেশ পরিচিত। দোকানগুলোর সামনে দেখা যাচ্ছে তুলা, কাপড়, সুতো আর শুইয়ের জমজমাট আয়োজন। কেউ আনছেন পুরনো লেপ-তোষক মেরামত করতে, আবার কেউ দিচ্ছেন নতুন অর্ডার। এই মৌসুমেই কারিগরদের আয় হয় সবচেয়ে বেশি।
লেপ-তোষক তৈরির প্রতিটি ধাপে কারিগরদের দক্ষতা স্পষ্ট। প্রথমে তুলা ফোলানো হয়, যা লেপের মূল উপাদান। এরপর কাপড় কেটে তা সেলাই করা হয়। লেপের আকার অনুযায়ী তৈরি হয় বিভিন্ন নকশা। শুই দিয়ে তুলাকে সঠিকভাবে ফোড় দেওয়া হয়, যাতে লেপ বা তোষক দীর্ঘস্থায়ী হয়।
লেপ-তোষকের দাম তুলা, কাপড় এবং শ্রমের ওপর নির্ভর করে। বর্তমানে তুলা ও অন্যান্য উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় এই পেশায় থাকা কারিগররা বেশ চাপে রয়েছেন। তবে ব্যস্ততার মধ্যেই তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, কারণ এটি তাদের জীবিকা। এক একটি লেপ তৈরিতে সময় লাগে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা।
লেপ-তোষক তৈরির এই পেশা আমাদের লোকজ সংস্কৃতির একটি অংশ। হাতের তৈরি লেপের আরাম, কারিগরদের দক্ষতা আর শীতের উষ্ণতা যেন একে অপরের সঙ্গে মিশে গেছে।
#লেপতোষক #শীতেরপ্রস্তুতি #হাতেরকাজ
#সুইসুতা #কারিগরদেরশ্রম #লোকজঐতিহ্য
#বাংলারসংস্কৃতি #শীতেরউষ্ণতা #তুলারকথা #গ্রামীণজীবন #বাংলারশীত
#শীতকাল #উপজীবিকা #হস্তশিল্প

0 মন্তব্যসমূহ